Desh Sangbad
Desh Sangbad
শিরোনাম:
রূপপুরে প্রথম ইউনিটের সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু
Published : Sunday, 11 October, 2026 at 5:31 PM

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ছবিঃ সংগৃহীত

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ছবিঃ সংগৃহীত

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ১ম ইউনিটে প্রথমবারের মতো নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া (ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি) শুরুর অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)। বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগে এই প্রক্রিয়াকে ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ বলা হয়।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়রা) চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য চূড়ান্ত বিদ্যুৎ অনুমোদন অর্থাৎ ‘বি-টু’ অনুমোদনের বিষয়টি এখন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বি-১ শেষ করে এখন বি-টুতে যাওয়ার সম্মতি দেওয়া হয়েছে এবং এটি শেষ হলে পরবর্তী ‘সি’ ও ‘ডি’ ধাপগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে।

সবকিছু মিলিয়ে বি-টু পর্বের কাজ দ্রুত শেষ হবে আশা প্রকাশ করে তিনি জানান, এই বি-টু পর্ব তাড়াতাড়ি শেষ হবে আশা করি। সব মিলিয়ে ধরেন দুই-তিন মাস। এরপর রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। তখন আমরা ৩০০ মেগাওয়াট পাব

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথম ইউনিটের অটোমেটিক প্রেশার রিলিফ সেফটি ভালভের (পিওআরভি/পিওএসভি) জটিলতার কারণে অনুমোদনটি আটকে ছিল। পরবর্তীতে রাশিয়া থেকে বিশেষজ্ঞ দল এসে সমস্যার সমাধান করে এবং বিভিন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। ফলে আগামী ডিসেম্বরের শেষে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সূত্র জানায়, রূপপুরের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’। বায়রার এই অনুমতির মাধ্যমে রিঅ্যাক্টরে একটি স্থিতিশীল ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হবে, যা কেন্দ্রটিকে স্থির অবস্থা থেকে সক্রিয় অপারেশনাল পারমাণবিক স্থাপনায় রূপান্তর করবে। ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরকে তার পূর্ণ নির্ধারিত তাপীয় ক্ষমতার এক শতাংশেরও কম শক্তিস্তরে পরিচালনা করে ইনিশিয়াল ক্রিটিক্যালিটিতে নেওয়া হবে। এ সময় রিঅ্যাক্টরের বিভিন্ন সিস্টেম, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সরঞ্জাম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে, যাতে ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, উৎপাদন শুরুর পর প্রাথমিকভাবে ৩ শতাংশ থেকে ধাপে ধাপে ২০-৩০ শতাংশে উন্নীত করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। এরপর প্রায় ৭-৮ মাস পরীক্ষামূলক উৎপাদন চলতে পারে।

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে বাংলাদেশ বিশ্বে ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। 

দেশসংবাদ/এনএস


আপনার মতামত দিন
আজ যেসব এলাকায় ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
নিজস্ব প্রতিবেদক
Saturday, 1 August, 2026
এআইয়ের যুগে টাকার প্রয়োজন কমবে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
Monday, 27 July, 2026
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
https://deshsangbad.com/ad/1699508455_1491666999_th.jpg
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক
ফাতেমা বেগম
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
ঠিকানা
৮০/২ ভিআইপি রোড, কাকরাইল
ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
Developed & Maintenance by i2soft
যোগাযোগ
ফোন: +৮৮ ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবাইল: +৮৮ ০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল: info@deshsangbad.com
up