মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম মেহেরা মাহাবুবের আদালত এ আদেশ দেন।
নোবেলের পক্ষে তার আইনজীবী মোহাম্মদ মনির উদ্দিন জানিন শুনানি করেন।
তিনি জানান, আদালত নোবেলকে এক হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেছেন। আশা করা যাচ্ছে, আজই নোবেল কারামুক্ত হবেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে মামলার বাদী ইডেন মহিলা কলেজের সেই ছাত্রীকে বিয়ে করেন নোবেল।
জানা গেছে, এই বিয়েতে দেনমোহর ধার্য করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। বিয়ের সাক্ষী হিসেবে দুপক্ষের ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাজমা হোসেন, সাবিহা তারিন, খলিলুর রহমান ও সাদেক উল্লাহ ভূঁইয়া।
এর আগে বুধবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারাগারে কাবিননামা অনুযায়ী বিয়ের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী উভয়ের সম্মতিতে বিয়ে সম্পাদন করে আদালতকে অবহিত করতে বলা হয়। বিয়ের সময় ভুক্তভোগী ছাত্রী নিজেও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আবেদনে বলা হয়, গত ২০ মে থেকে মামলার আসামি নোবেল জেল হাজতে আটক আছেন। যেহেতু বাদি ও আসামির মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হওয়ায় মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার বাদি ও আসামি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ইচ্ছুক। সেহেতু জেল হাজতে আসামি ও বাদি বিয়ের অনুমতি দেওয়া একান্ত আবশ্যক। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।