| শিরোনাম: |
পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈসাবী উৎসবে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মেয়েরা, ছবি: তৌসিফ মান্নান
আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস একটি বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বলেন, আদিবাসী জনগণ হলেন প্রাচীন জ্ঞানের অভিভাবক, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের রক্ষক, জীববৈচিত্র্যের তত্ত্বাবধায়ক এবং আমাদের যৌথ ভবিষ্যতের অপরিহার্য অংশ।
তিনি বলেন, এআই ব্যবহার করে বিপন্ন ভাষা ও মৌখিক ইতিহাস সংরক্ষণ, পূর্বপুরুষদের ভূমি মানচিত্রায়ণ, এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আদিবাসী জ্ঞানের প্রচার করা সম্ভব। কিন্তু আদিবাসী জনগণের অর্থবহ অংশগ্রহণ ছাড়া, এই একই প্রযুক্তি পুরনো বঞ্চনার ধারা অব্যাহত রাখতে পারে, সংস্কৃতির ভুল উপস্থাপন করতে পারে এবং মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করতে পারে।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এমনভাবে উন্নয়ন ও পরিচালিত হয়, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক, নৈতিক ও ন্যায়সঙ্গত। এর অর্থ হলো আদিবাসী জনগণের জন্য নতুন প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা, তাঁদের তথ্যের সার্বভৌমত্ব ও মেধাস্বত্ব রক্ষা করা, এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে তাঁদের অর্থবহ অংশগ্রহণকে সমর্থন করা।
তিনি আজ এবং আগামী প্রজন্মের জন্য ভবিষ্যত গড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে আসুন আমরা এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি, যেখানে প্রযুক্তি সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ ও আদিবাসী জ্ঞানকে সমর্থন করে, অধিকার রক্ষা করে এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এটি প্রথম ঘোষণা করা হয়েছিল, ১৯৮২ সালে মানবাধিকার প্রচার ও সুরক্ষা সংক্রান্ত উপ-কমিশনের আদিবাসী জনসংখ্যা বিষয়ক জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকের দিনটিকে চিহ্নিত করে।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আদিবাসী জাতি-গোষ্ঠীর মানুষেরা দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের উদ্যোগে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।
দেশসংবাদ/এএল/এমএমএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|