| শিরোনাম: |
|
চীন সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, ছবি: বাসস
আজ সোমবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘চীন সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে’ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে দেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও টেকনিক্যাল স্কুল-কলেজগুলোতে শিক্ষকের ঘাটতি এবং পুরাতন যন্ত্রপাতির বিষয়ে এক সাংবাদিক দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে কারিগরি ও সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষক সংকট তীব্র হয়েছে। এখন প্রয়োজনীয় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সময় লাগছে। তবে অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি শিক্ষক পদ পূরণ ও ল্যাব আধুনিকায়নের বিষয়গুলোকে আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনায় নিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘কারিগরিতে শুধু নতুন ভবন নির্মাণ করলেই হবে না; ল্যাব, কারিকুলাম ও শিক্ষকের একটি সমন্বিত ‘ইকোসিস্টেম’ গড়ে তুলতে হবে। চীনের সফরের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখেছি কীভাবে ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মেলবন্ধন ঘটিয়ে আধুনিক ল্যাব ও দক্ষ জনবল তৈরি করা যায়। আমরা সেই মডেলেই ল্যাব টেক্সটাইল ও টেকনিক্যাল ইকুইপমেন্ট আধুনিকায়ন করবো।’
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে বৈশ্বিক চাহিদানুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বাড়িয়েছেন এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে (টিভিইটি) লাইফলাইন হিসেবে গ্রহণ করেছেন।’
এ সময় বৈশ্বিক শ্রমবাজার ও দেশি-বিদেশি শিল্প প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে টেকনিক্যাল শিক্ষার পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা (যেমন: চীনা, জাপানি, কোরিয়ান ও আরবি) যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দেশসংবাদ/এমএমএইচ/এফএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|