| শিরোনাম: |
|
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল আল-সাইয়েদ, ছবি: সংগৃহীত
মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে জয়লাভের পর এক বক্তব্যে নিজের পারিবারিক পরিচয় ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের কড়া সমালোচনা করে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বক্তব্যে আল-সাইয়েদ রসিকতা করে বলেন, ‘আমার একজন ভাই আছে, সে মুসলিম; আর তার সাথে আমার একটি ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’ (মুসলিম ভ্রাতৃত্ব) রয়েছে। এটুকুই—কারণ আমরা দুজনই মুসলিম এবং সে আমার নিজের ভাই!’
নির্বাচনি প্রচারণার সময় তার মিশরীয় বংশোদ্ভূত পারিবারিক পটভূমি এবং মুসলিম পরিচয়কে কেন্দ্র করে রিপাবলিকান শিবির ও ট্রাম্পপন্থিরা তাকে চরমপন্থি সংগঠন ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’-এর সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা করেছিল। সেই প্রচারণাকে ভিত্তিহীন ও বিদ্বেষমূলক আখ্যা দিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা আড়াল করতেই এমন অপপ্রচার চালানো হয়েছিল। তিনি বলেন, আমার নাম কিংবা আমার ধর্মীয় বিশ্বাস—কোনোটিই আমেরিকানদের পেট্রোল বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণ নয়।
এদিকে আল-সাইয়েদের এই বক্তব্য ও রসিকতার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মার্কিন রক্ষণশীল মহল। ফক্স নিউজে এক প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্পের সাবেক ডেপুটি কমিউনিকেশনস ডিরেক্টর রোমা ডাভি ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, একজন নবনির্বাচিত সিনেটরের জন্য সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে এ ধরনের রসিকতা একেবারেই বেমানান।
তবে সব ধরনের ধর্মীয় আক্রমণ ও নেতিবাচক প্রচারণাকে পাশ কাটিয়ে মিশিগানে প্রায় ৭ থেকে ৮ পয়েন্টের ব্যবধানে রিপাবলিকান প্রার্থীকে পরাজিত করে মার্কিন সিনেটের সদস্য হিসেবে ইতিহাস গড়েন আবদুল আল-সাইয়েদ।
দেশসংবাদ/এমএমএইচ/এফএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|