| শিরোনাম: |
|
৭৩ বছর পর আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক বোর্ডের নেতৃত্বে পাকিস্তান, ছবি: সংগৃহীত
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের বার্ষিক সাধারণ সভার প্লেনারি অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রী এবং বিশ্বব্যাংকে দেশটির গভর্নর আহাদ খান চিমা ২০২৭ সালের জন্য এই যৌথ বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন।
পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই অর্জনকে একটি ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করেছে। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই দায়িত্ব লাভের ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও উন্নয়নমূলক নীতি নির্ধারণী আলোচনায় পাকিস্তানের অংশগ্রহণ এবং ভূমিকা আরও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও গঠনমূলক সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার বড় সুযোগ তৈরি করবে।
ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এই বার্ষিক সভায় ১৯১টি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, অর্থমন্ত্রী, অর্থনীতিবিদ এবং নীতিনির্ধারকসহ ১৫,০০০-এরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।
দায়িত্ব পাওয়ার পর পাকিস্তানের মন্ত্রী আহাদ খান চিমা বিদায়ী চেয়ারম্যান তথা প্যারাগুয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর কার্লোস কারভাল্লো স্পালডিং এবং বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও করপোরেট সেক্রেটারি আরাধনা কুমার-কাপুরের সাথে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন।
তিনি জানান, এই মেয়াদে পাকিস্তান উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা, সহজ শর্তে জলবায়ু অর্থায়ন এবং বৈশ্বিক ঋণ কাঠামোকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
বর্তমানে পাকিস্তান নিজেই চরম অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছে এবং আইএমএফ-এর ৭ বিলিয়ন ডলারের বর্ধিত তহবিল সুবিধা (ইএফএফ) ও ১.৪ বিলিয়ন ডলারের রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি সুবিধার (আরএসএফ) আওতাধীন ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত রয়েছে। এই সংকটের মধ্যেই বিশ্ব আর্থিক খাতের নীতি নির্ধারণী বোর্ডের শীর্ষ পদের এই দায়িত্ব পেল ইসলামাবাদ।
দেশসংবাদ/এমএমএইচ/এফএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|