Published : Saturday, 31 October, 2026 at 12:00 PM
পাসের হারে এগিয়ে ঢাকা বোর্ড, ছবিঃ সংগৃহীত
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ডের পাসের হার ৬১.৮০ শতাংশ। আর পাসের হারে পিছিয়ে রয়েছে বরিশাল বোর্ড। বোর্ডটিতে পাসের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ।
এইচএসসি বোর্ড ভিত্তিক ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে এসব চিত্র। এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। এই ৯ টি বোর্ডে ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে।
এ বছর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৪ হাজার ৫৪৭ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ। এই শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ শিক্ষার্থী।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ২ হাজার ৯৪৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫০ হাজার ৮৮৯ জন। পাসের হার ৪৯.৪৩ শতাংশ। এ বোর্ডে ৮৮৬ শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে।
এ বছর ঢাকা বোর্ডের পাসের হার ৬১.৮০ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ড পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ, যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪.৯২ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫০.৯০ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫.৯৮ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ৪৯.৪৩ শতাংশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রনালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যন ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা। চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। এবার ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। এর আগে গত বছর পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ আর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসেবে এবার পাসের হার কমেছে কমেছে ৬.৭১ শতাংশ আর জিপিএ-৫ কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।
এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।