Published : Wednesday, 16 September, 2026 at 3:37 PM
গাজায় বাস্তুচ্যুতদের ভবন ধস, ছবিঃ সংগৃহীত
গাজা সিটিতে যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবন ধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। বুধবার সকালে ভবনটি ধসে পড়ার ঘটনায় আরও ১৫ জন আহত হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাহের আল-ওয়াহিদির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। তিনি জানান, নিহত ১৪ জনের মধ্যে ১২ জন নারী ও শিশু। ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভবনটিতে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত প্রায় ছয়টি পরিবার বসবাস করছিল। যুদ্ধের শুরুর দিকে ইসরায়েলি হামলায় ভবনটির একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তবে বুধবার ভবনটি ধসে পড়ার সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঘটনাস্থলের ভিডিওতে দেখা যায়, বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। বুলডোজার দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শিশুদেরসহ আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়।
প্রায় তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধে গাজার অধিকাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে আগে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বহুতল ভবন ধসে পড়া বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশেষ করে শীতের আবহাওয়ায় এমন ভবন ধসে পড়ার ঘটনা ঘটছে। বাস্তুচ্যুত অনেক পরিবার তাঁবুর আশ্রয় ছেড়ে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘরে ফিরে যাওয়ায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
এদিকে, সৌদি আরব জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মক্কার দিকে এগিয়ে যাওয়া একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে। সৌদি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি বলেন, মক্কার আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ড্রোনটি শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়।
ইসলামের পবিত্রতম শহর মক্কায় এ ধরনের হামলার আশঙ্কাকে ‘লাল রেখা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন আল-মালকি। তিনি বলেন, শত্রুতামূলক ও ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সৌদি বাহিনী দ্বিধা করবে না।
তবে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিরা মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সৌদি আরবের এই দাবির পর পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ এবং ৫৭ সদস্যের অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) এর নিন্দা জানিয়েছে।