| শিরোনাম: |
মাহদী হাসান, ছবি: সংগৃহীত
এর আগে, গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ এলাকা থেকে মাহদি হাসানসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ। এদিকে অভিভাবকেরা মুচলেকা দেওয়ার পর মাহদী হাসান, সংগঠনের সদস্য মীর্জা সুমন ও রাজু আহমেদকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ছাড়া পাওয়ার পর মাহদী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুলিশ মুখে বলে আমার নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে আমাকে থানায় রেখেছে। অথচ যারা আমার জন্য হুমকি, তাদের কিছুই করল না। আমাকে ২১ ঘণ্টা আটকে রেখে অন্য রকম শাস্তি দিল।’
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেলে হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। কর্মসূচির আয়োজনের সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার একদল পুলিশ সেখানে যায়। পরে মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ করতে চাইলে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
মুক্তির পর মাহদী হাসান অভিযোগ করেন, ‘শহরে অসহনীয় লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাসের সংকট নিরসন এবং দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে আমরা বিক্ষোভ মিছিল করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ ফ্যাসিবাদী স্টাইলে টেনে হেচরে আমাদের পিকআপ ভ্যানে করে থানায় নিয়ে আসে।’
এসময় বিক্ষোভ মিছিলের আগের রাতেও পুলিশ তাদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালায় এবং পরিবারের সদস্যদের হুমকি-ধমকি দেয় বলে দাবি করেন মেহেদী। এর আগে, গত জানুয়ারিতে একটি বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন মাহদী হাসান। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম।’ ওই বক্তব্যের পর পুলিশ তাকে আটক করলেও পরে ছেড়ে দেয়।
আজ বেলা তিনটার দিকে মাহদী হাসানের বাবা তৈয়বুর রহমানসহ আটক তিনজনের অভিভাবক থানায় যান। পরে মুচলেকা দিয়ে তাদের ছাড়িয়ে নেন। এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদুল হক বলেন, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় তাদের আটক করা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ওই মুচলেকায় কী লেখা ছিল, সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।
দেশসংবাদ/এমএমএইচ/এফএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|