রাঙামাটির সাজেকের উজোবাজারে অবরোধকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনায় এতে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন সদস্য এবং পুলিশের দুই সদস্যসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাঙামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব এসব তথ্য জানান।
আব্দুর রকিব বলেন, ‘সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে উজোবাজারে অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এ সময় অবরোধকারীরা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন এবং পুলিশের দুই সদস্য আহত হন।’
পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত থেমে থেমে প্রায় দুই ঘণ্টা গুলিবিনিময় হয়।
বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং উজোবাজারের নিয়ন্ত্রণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে রয়েছে। এ ছাড়া সব পর্যটক নিরাপদে সাজেক ছেড়েছেন। পুরো ঘটনা তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অবরোধকারীরা প্রথমে ইটপাটকেল ছুড়লেও এক পর্যায়ে গোলাগুলি শুরু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পর্যটকরা নিরাপদে দিঘিনালার কাছাকাছি পৌঁছেছেন।
পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব জানান, সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে উজোবাজারে অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এ সময় অবরোধকারীরা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন এবং পুলিশের দুই সদস্য আহত হন।
পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত থেমে থেমে প্রায় দুই ঘণ্টা গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
তিনি আরো জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং উজোবাজারের নিয়ন্ত্রণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হাতে রয়েছে। এ ছাড়া সব পর্যটক নিরাপদে সাজেক ছেড়েছেন। তিনি বলেন, পুরো ঘটনা তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।