| শিরোনাম: |
বিলুপ্তপ্রায় র্যাকুন, ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের বেজোস আর্থ ফান্ড এবং হলিউড অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর সহ-প্রতিষ্ঠিত পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা রি:ওয়াইল্ড যৌথভাবে এই উদ্যোগের ঘোষণা দেয়। শুরুতেই তারা ২০ কোটি ডলার তহবিল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ফিনিক্স স্পিসিজ প্রজেক্ট নামে এই কর্মসূচির আওতায় বিশ্বের ৩০টি দেশের ১০০টি সংকটাপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণে কাজ করা হবে। এতে স্থানীয় মানুষ, আদিবাসী জনগোষ্ঠী, বিজ্ঞানী এবং সংশ্লিষ্ট সরকার একসঙ্গে অংশ নেবে। প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিরল প্রাণীর প্রজনন, নষ্ট হয়ে যাওয়া আবাসস্থল পুনরুদ্ধার, বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষতিকর আগ্রাসী প্রজাতির বিস্তার ঠেকাতে কাজ করা হবে। এসব কার্যক্রমে বৈজ্ঞানিক সহায়তা দেবে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন)-এর স্পিসিজ সারভাইভাল কমিশন।
আইইউসিএনের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মূল্যায়ন করা ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি প্রজাতির মধ্যে প্রায় ৪৯ হাজার প্রজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি চারটি প্রজাতির মধ্যে প্রায় একটি এখন হুমকির মুখে। এই প্রকল্পে যেসব প্রাণীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে মাদাগাস্কারের বিরল গোল্ডেন-ক্রাউন্ড সিফাকা লেমুর এবং যুক্তরাষ্ট্রের হিকোরি নাট গর্জ গ্রিন সালামান্ডার। বেজোস আর্থ ফান্ডের ভাইস চেয়ারম্যান লরেন সানচেজ বেজোস বলেন, আমরা শুধু বিলুপ্তি ঠেকাতে চাই না, বরং এসব প্রাণীর সংখ্যা আবার বাড়াতে চাই। এর জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টা ও প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে বেজোস আর্থ ফান্ড প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ৪১টি প্রকল্পে মোট ৫৯ কোটি ১০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বন ও ভূমি পুনরুদ্ধারের কাজ।
দেশসংবাদ/এমএমএইচ/এফএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|