| শিরোনাম: |
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সিংহভাগ— প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ পরিচালিত হয় আমাদের এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, যেসব শিক্ষক-কর্মচারী তাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়টুকু দিয়ে আমাদের সন্তানদের নতুন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলেন, জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তাদেরই চরম অবহেলা ও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, এত বছরের ভেঙে পড়া, তছনছ হয়ে যাওয়া শিক্ষাব্যবস্থা একদিনে জাদুমন্ত্রে পুরো ঘুরে দাঁড়াবে না—এটা আমরা জানি। দীর্ঘদিনের দুর্নীতি সিন্ডিকেট ভেঙে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কঠিন সিদ্ধান্ত ও সঠিক নীতি প্রয়োজন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই অচল অবস্থা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষাখাতে দুর্নীতি ও অনিয়মের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চরম দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০২২ সালের পর থেকে যেসব শিক্ষক অবসরে গিয়েছেন, তারা তাদের পাওনা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। ১ লাখ ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক পরিবার জীবনের শেষ সঞ্চয়টুকু না পেয়ে চরম মানবিক সংকটে দিন কাটিয়েছেন। শিক্ষক সমাজের এই চোখের পানি ও দীর্ঘশ্বাস আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। আমাদের সরকার কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে এই অন্যায়ের অবসান ঘটাতে এসেছে।
দেশসংবাদ/এমএমএইচ/এফএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|