Published : Wednesday, 30 September, 2026 at 2:31 PM
দ্বিগুণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ফি, ছবিঃ সংগৃহীত
যারা যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে এখন থেকে তাদের গুনতে হবে আরও বেশি অর্থ। এবার মার্কিন কর্তৃপক্ষ দেশটির ইবি-৫ অভিবাসী বিনিয়োগকারী কর্মসূচির আবেদন ফি দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে নতুন এ নিয়ম কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেশটির নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা (ইউএসসিআইএস) যুক্তরাষ্ট্রে ইবি-৫ ভিসার আবেদন ফি দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোর একটি নিয়ম চূড়ান্ত করেছে।
ইবি-৫ কর্মসূচির মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পান। এ জন্য তাদের যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যবসায় নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়। পাশাপাশি, ওই বিনিয়োগের মাধ্যমে অন্তত ১০টি পূর্ণকালীন কর্মসংস্থান তৈরি করতে হয়।
এককভাবে বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবহৃত ফর্ম আই-৫২৬-এর আবেদন ফি ৩ হাজার ৬৭৫ ডলার (৪ লাখ ৫২ হাজার ২৪৩ টাকা) থেকে বেড়ে ৭ হাজার ৬১৫ ডলার (৯ লাখ ৩৭ হাজার ৯৭ টাকা) হবে।
আর অনুমোদিত আঞ্চলিক কেন্দ্রের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবহৃত ফর্ম আই-৫২৬ই-এর আবেদন ফি ৩ হাজার ৬৭৫ ডলার (৪ লাখ ৫২ হাজার ২৪৩ টাকা) থেকে বেড়ে ৭ হাজার ৮৫০ ডলার (৯ লাখ ৬৫ হাজার ৯৮১ টাকা) হবে। এর সঙ্গে প্রতিটি আবেদনের জন্য অতিরিক্ত ৭৫ ডলার (৯ হাজার ২৩১ টাকা) প্রযুক্তি ফি দিতে হবে।
এককভাবে বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবহৃত ফর্ম আই-৫২৬-এর আবেদন ফি ৩ হাজার ৬৭৫ ডলার (৪ লাখ ৫২ হাজার ২৪৩ টাকা) থেকে বেড়ে ৭ হাজার ৬১৫ ডলার (৯ লাখ ৩৭ হাজার ৯৭ টাকা) হবে।
আর অনুমোদিত আঞ্চলিক কেন্দ্রের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবহৃত ফর্ম আই-৫২৬ই-এর আবেদন ফি ৩ হাজার ৬৭৫ ডলার (৪ লাখ ৫২ হাজার ২৪৩ টাকা) থেকে বেড়ে ৭ হাজার ৮৫০ ডলার (৯ লাখ ৬৫ হাজার ৯৮১ টাকা) হবে। এর সঙ্গে প্রতিটি আবেদনের জন্য অতিরিক্ত ৭৫ ডলার (৯ হাজার ২৩১ টাকা) প্রযুক্তি ফি দিতে হবে।
তবে, ফর্ম আই-৯৫৬জি-এর বার্ষিক ফি ৩ হাজার ৩৫ ডলার (৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৩১ টাকা) থেকে কমে ২ হাজার ১৬৫ ডলার (২ লাখ ৬৬ হাজার ৩৬৯ টাকা) হবে।
এদিকে, পুরোনো আই-৫২৬ আবেদনে সংশোধনের জন্য নতুন আই-৫২৭ ফর্ম চালু করা হয়েছে। এ ফর্মের আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার ৩৩০ ডলার (১২ লাখ ৭১ হাজার ৮৪৬ টাকা)।
নতুন ফি ঘোষণা করে ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, সংস্থাটির বেশির ভাগ অর্থ আবেদনকারীদের কাছ থেকে নেওয়া ফি থেকে আসে, করের অর্থ থেকে নয়। আবেদন যাচাই, নিরাপত্তা পরীক্ষা, আবেদনকারীর যোগ্যতা যাচাই, জালিয়াতি শনাক্ত করা এবং কর্মসূচি পরিচালনার খরচ এসব ফি থেকেই মেটানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ১৯৯০ সালে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ইবি-৫ কর্মসূচি চালু করে। এ কর্মসূচির আওতায় আবেদনকারীদের যোগ্য কোনো ব্যবসায় ১০ লাখ ৫০ হাজার ডলার (১২ কোটি ৯২ লাখ ২৯ হাজার ৭০০ টাকা) বিনিয়োগ করতে হয়।
তবে, নির্দিষ্ট কর্মসংস্থান এলাকা বা অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে ৮ লাখ ডলার (৯ কোটি ৮৪ লাখ ৬ হাজার ৮০০ টাকা) বিনিয়োগ করলেই হয়। পাশাপাশি, ওই বিনিয়োগের মাধ্যমে অন্তত ১০টি পূর্ণকালীন কর্মসংস্থান তৈরি করতে হয়।
এসব শর্ত পূরণ করতে পারলে বিনিয়োগকারী, তার স্বামী বা স্ত্রী এবং যোগ্য সন্তানরা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করার সুযোগ পান।