| শিরোনাম: |
এয়ার ইন্ডিয়া, ছবি: সংগৃহীত
ই-মেইল বার্তার তথ্য অনুযায়ী, এয়ারলাইনসের গুরুগ্রাম কেন্দ্রে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এই পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করা হবে। তবে যেসব ফ্লাইট ইতিমধ্যে মাঝ আকাশে রয়েছে কিংবা যেসব পাইলট বর্তমানে দিল্লি-এনসিআরের বাইরে অবস্থান করছেন, তাদের গন্তব্য শহরের এয়ার ইন্ডিয়া কার্যালয়ে এই মাদক পরীক্ষা করা হবে। এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার বাধ্যবাধকতার বাইরে গিয়ে নেওয়া এই বিশেষ উদ্যোগ বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ও পেশাদারত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাদের দৃঢ় সংকল্পের বহিঃপ্রকাশ। পাশাপাশি এটি যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মনে আস্থাও বাড়াবে। যদিও এ বিষয়ে এয়ার ইন্ডিয়া এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
সাম্প্রতিক সময়ে এয়ার ইন্ডিয়ার ফুকেট-দিল্লি ফ্লাইটে মাঝ আকাশে ঘটা একটি মারাত্মক দুর্ঘটনার মাত্র কয়েক দিন পরেই পাইলটদের মাদক পরীক্ষার এই কঠোর নির্দেশ এল। ওই দুর্ঘটনায় উড়োজাহাজটি হঠাৎ মাঝ আকাশে ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায় এবং এতে অন্তত ২৪ জন যাত্রী আহত হন। মাঝ আকাশে ভয়াবহ ঝাঁকুনি, জানা গেল গাঁজা খেয়ে বিমান চালাচ্ছিলেন পাইলট!মাঝ আকাশে ভয়াবহ ঝাঁকুনি, জানা গেল গাঁজা খেয়ে বিমান চালাচ্ছিলেন পাইলট!
প্রাথমিকভাবে এই দুর্ঘটনার জন্য উড়োজাহাজের তীব্র ঝাঁকুনিকে দায়ী করা হলেও, কয়েকটি সূত্রের দাবি—দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান পাইলটের ড্রাগ টেস্টের ফল গাঁজার ক্ষেত্রে পজিটিভ এসেছে। তবে এর পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঠিক আগে এয়ারবাস এ৩২০ উড়োজাহাজটিতে হাইড্রোলিক ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাজনিত ত্রুটি দেখা দেওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে। বর্তমানে বিমান দুর্ঘটনাসংক্রান্ত তদন্ত ব্যুরো পুরো বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে।
দেশসংবাদ/এমএমএইচ/এফএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|