| শিরোনাম: |
|
বাংলাদেশ ব্যাংক, ছবি: সংগৃহীত
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যেসব এন্ট্রি পদে পূর্ব অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয় না, যেমন- ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার, সিনিয়র অফিসার, প্রবেশনারি অফিসার, ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার, জুনিয়র অফিসার ও ক্যাশ অফিসার—এসব পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা নিতে হবে।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইট বা চাকরির ওয়েবসাইটের পাশাপাশি দেশের অন্তত দুটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করতে হবে।
সশরীরে উপস্থিতি অথবা অনলাইনে নৈর্ব্যক্তিক কিংবা লিখিত পরীক্ষার পর অবশ্যই মৌখিক পরীক্ষা নিতে হবে। পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থী নির্বাচন করতে হবে।
এন্ট্রি পদ ছাড়া অভিজ্ঞ প্রার্থীদের উচ্চতর পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রেও অন্তত মৌখিক পরীক্ষাসহ প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগ পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
একবছরের মধ্যে সনদ যাচাই
নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারী ব্যাংকে যোগদানের এক বছরের মধ্যে তার সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই করতে হবে।
আর বর্তমানে কর্মরত ব্যাংকারদের শিক্ষাগত সনদের সত্যতা আগামী ৩১ মার্চ ২০২৭-এর মধ্যে যাচাই সম্পন্ন করতে হবে।
চাকরিতে পদোন্নতি কিংবা আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার জন্য জমা দেওয়া পেশাগত বা নতুন শিক্ষাগত সনদও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই করে কর্মীর ব্যক্তিগত নথিতে সংরক্ষণ করতে হবে। পরামর্শক বা উপদেষ্টা ছাড়া চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
অন্য ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চতর পদে যোগ দেওয়া কোনো ব্যাংকারের সনদ আগের প্রতিষ্ঠান যাচাই করে থাকলে এবং তার প্রত্যয়নপত্র থাকলে—নতুন ব্যাংককে আবার শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ে সনদ যাচাইয়ের জন্য পাঠাতে হবে না। তবে কর্মীকে অব্যাহতি দেওয়ার সময় দেওয়া ছাড়পত্রে কোন কোন সনদ যাচাই করা হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
জাল সনদে কঠোর ব্যবস্থা
নিয়োগের সময় কিংবা চাকরিরত অবস্থায় কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর শিক্ষাগত সনদ ভুয়া বা জাল প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ ছাড়া প্রতিটি ব্যাংককে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে একটি যুগোপযোগী ও সমন্বিত মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়ন বা হালনাগাদ করতে বলা হয়েছে।
নীতিমালায় নিয়োগ ও পদোন্নতি, ছুটি, আচরণবিধি, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ, হুইসেলব্লোয়ার নীতি, স্বার্থের সংঘাত নিরসনসহ মোট ১৮টি নির্দিষ্ট বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এসব নির্দেশনার মাধ্যমে ব্যাংকের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর পাশাপাশি আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা হবে।
দেশসংবাদ/এমএমএইচ/এফএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|