| শিরোনাম: |
|
অবরোধের নামে এখনো জিম্মি সাজেকবাসী, ছবি: সংগৃহীত
অভিযোগ রয়েছে, গত সোমবার অর্থাৎ রাঙামাটির সজেক সড়ক অবরোধের পঞ্চম দিনের মাথায় সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি নতুন জয় চাকমা, ও গণঅধিকার রক্ষা কমিটি সভাপতি বাবুধন চাকমা’র সাথে বৈঠকে বসেন রাঙামাটি সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান, খাগড়াছড়ি সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার শাহাদাৎ, রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব ও খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার মুরতজা আলী খান। টানা আড়াই ঘণ্টা আলোচনা চলে উভয়পক্ষের মধ্যে। অবরোধকারীদের পাঁচটি দাবির মধ্যে চারটি দাবি প্রশাসন মেনে নিতে আশ্বাস দিলেও সন্তু লারমা গ্রুপের জেএসএসের কর্মীদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার দাবির বিষয়ে তিন সপ্তাহ সময় চেয়েছে প্রশাসন। তবে আন্দোলনকারীরা পাঁচ দিনের সময় বেঁধে দেওয়ায় বৈঠকটি অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়েছে।
খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের পাঁচটি দাবির মধ্যে প্রায় চারটিতে সমাঝোতা হয়েছে। একটি বিষয়ে একটু বাকি রয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে বাকি বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে যাবে।
গণঅধিকার রক্ষা কমিটি সভাপতি বাবুধন চাকমা বলেন, আসল দাবিটা বিষয়ে এখনো কোন সমাধান আসেনি। সন্তু লারমার সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি জেএসএসের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সাজেক থেকে সরিয়ে না আনা পর্যন্ত অবরোধ চলমান থাকবে।
এদিকে, মঙ্গলবার সকাল থেকে আবারও অবরোধের সমর্থনে মাঠে নেমেছে সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও গণঅধিকার রক্ষা কমিটির নেতাকর্মীরা। বাঘাইহাট মাচালঙ ১৪ কিলো, ২নং কালভার্ট, গঙ্গারাম লাদুমনি বাজার, বাঘাইহাট হাজাছড়া, ১০নম্বরসহ পৃথক স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে ঘটনাস্থলে থেকে পালিয়ে যায় অবরোধকারীরা। এসময় উদ্বেগ উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয়দের মাঝে। তবে অবরোধের কারণে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টহল অব্যাহত ছিল। সড়ক থেকে জ্বলন্ত আগুনের টাইয়ার সরিয়ে দিয়ে সড়ক স্বাভাবিক করে সেনাবাহিনী।
উল্লেখ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি অর্থাৎ জেএসএসকে সাজেক থেকে সরিয়ে আনতে কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও গণঅধিকার রক্ষা কমিটির ডাকে গত ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ ঘোষণা করে।
দেশসংবাদ/এমএমএইচ/এফএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|