| শিরোনাম: |
মো. নূরুল করিম, ছবি: সংগৃহীত
যদিও মো. নূরুল করিম দাবি করেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে তার দূরতম সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, ‘আমি নিয়মিত প্র্যাকটিসে ফিরে যাওয়া আর একান্ত ব্যক্তিগত কারণেই পদত্যাগ করেছি। যে আওয়ামী লীগের রাজনীতির কথা বলা হচ্ছে সেই দলে আমার কোনো পদ নেই, কিছু নেই। আমাকে নিয়ে রাজনীতি করার জন্য একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমাকে পুঁজি করে তারা নোংরা রাজনীতি করতে চাইছে।’
এ দিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের পদত্যাগের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন আইনজীবীরা। আজ দুপুরে কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে তাদের এ বিক্ষোভ শুরু হয়।‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম’-এর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে আইনজীবীরা মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট এলাকা প্রদক্ষিণ করেন এবং পরে অ্যানেক্স ভবনের সামনে গিয়ে অবস্থান করেন। এ কর্মসূচিতে থেকে তারা ডিএজি ও এএজি নিয়োগে অনিয়ম ও কথিত নিয়োগ-বাণিজ্যের তদন্ত, ফোরামের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এ সময় তাদেরকে ‘দফা এক, দাবি এক, অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ’সহ নানা ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আইনজীবী শরীফ ইউ আহমেদ বলেন, ‘আমরা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের পদত্যাগ চাই। ওয়ান-ইলেভেনের সময় তিনি বলেছিলেন, তিনি বিএনপির রাজনীতি করেন না। কিন্তু এখন তিনি ফ্যাসিস্টদের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন এবং তাদের পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন।’
তিনি বলেন, ‘রুহুল কুদ্দুস কাজল অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে থাকার সব ধরনের যোগ্যতা হারিয়েছেন।’ অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে শত কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে, এমন অভিযোগ করে তিনি এর তদন্ত দাবি করেন। এর আগে গত ৩০ জুলাই রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনার জন্য ৮৬ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এবং ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) নিয়োগ দিয়েছেন সরকার। একই সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের আগের সব নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে সই করেন সলিসিটর সানা মো. মাহরুফ হোসাইন।
দেশসংবাদ/এমএমএইচ/এফএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|