| শিরোনাম: |
|
ইয়াবা, ছবি: সংগৃহীত
আটক দুজন হলেন টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল এলাকার জহির হর দাশ ও মো. হোসাইন। আজ বুধবার বিকেলে টেকনাফ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম। এ সময় কক্সবাজার রামু সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মো. আনোয়ার উল-আলম ও ৬৪ বিজিবির ক্যাপ্টেন মাহরাফ জামান উপস্থিত ছিলেন।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশের খবর পেয়ে বিজিবি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সীমান্তে অবস্থান নেয় বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল। পরে থার্মাল প্রযুক্তির মাধ্যমে গভীর রাতে হ্নীলা সীমান্তে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় একটি নৌকায় থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১৪ লাখ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪২ কোটি টাকা।
সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে বিজিবি অধিনায়ক বলেন, জনবল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নানা প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি। চোরাচালান শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।'
কক্সবাজার রামু সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মো. আনোয়ার উল-আলম বলেন, চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে অত্যাধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে। তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত প্রায় আট কিলোমিটার। তিনি জানান, চোরাকারবারিরা নানা কৌশলে সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করছে। বিভিন্ন সময়ে চোরাকারবারিদের আটক করে থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরপর তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি পুলিশের এখতিয়ার।
বিজিবি সূত্র জানায়, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) মোট ১ কোটি ৪৩ লাখ ইয়াবা বড়ি এবং ২৪৩ জন আসামিকে আটক করেছে। সীমান্তে মাদকসহ সব ধরনের অপরাধী শনাক্ত ও আটকে বিজিবির নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
দেশসংবাদ/এমএমএইচ/এফএইচ
|
আপনার মতামত দিন
|